এবার আসছে ‘আয়নাঘর’ নিয়ে সিনেমা, নায়িকা কে?





শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছে 'আয়নাঘর'। প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাউন্টার-টেরোরিজম ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো দ্বারা পরিচালিত এটি ছিল একটি গোপন আটক কেন্দ্র। সেখানে বন্দিদের ওপর চালানো হতো অমানবিক অত্যাচার। আলোচিত এই আয়নাঘর নিয়ে নির্মাণ হচ্ছে সিনেমা। যা নির্মাণ করবেন জয়নাল আবেদিন জয় সরকার।
'আয়নাঘর' সিনেমায় অভিনয় করবেন অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। জয়নাল আবেদিনের নির্মাণে 'ইন্দুবালা' নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন কেয়া পায়েল। এবার আসছে 'আয়নাঘর'।

এরমধ্যে পরিচালক সমিতিতে ছবিটির নামও নিবন্ধন করেছেন নির্মাতা। ছবিটি প্রযোজনা করছে র‌্যাবিট এন্টারটেইনমেন্ট।

জয় সরকার গণমাধ্যমে বলেন, 'আমার প্রথম ছবির নায়িকা ছিলেন কেয়া পায়েল। তাকে নিয়ে এবারের ছবিটিও বানাতে চাই। কেয়া ছাড়া আরও থাকবেন পরিচিত তারকারা। যদিও সেসব এখনও চূড়ান্ত করিনি। এখন গল্প লিখছি।'

নির্মাতা জানান, চিত্রনাট্য লেখার পাশাপাশি আয়নাঘরে বন্দী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে গল্পটি সাজানোর চেষ্টা করছি। আমি চাই সত্যটা উঠে আসুক। মানুষ জানুক কী কী হয়েছে আয়নাঘরে।



হামলার জন্য প্রস্তুত ইরান, ভয়ে আতঙ্কিত ইসরায়েল



ইরানের ভয়ংকর প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কায় চরম আতঙ্কে আছে ইসরায়েল।

ইহুদিবাদী দেশটির প্রতিরক্ষমন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত এক ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনকে বলেছেন, ইরান ইসরায়েলে বড় ধরনের সামরিক হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদক বারাক রাভিদ ওই কল সম্পর্কে জানেন এমন এক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এক্সে এ কথা জানিয়েছেন। খবর তাসের।

সোমবার (১২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সম্প্রতি ওই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এতে বলা হয়, গ্যালান্ত ও অস্টিন ইরানের হামলার হুমকির মুখে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি এবং আভিযানিক ও কৌশলগত সমন্বয়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
  

https://sites.google.com/view/atul-barman/freelencer


মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ইসরায়েলের সুরক্ষায় এরই মধ্যে সেখানে গাইডেড মিসাইল সাবমেরিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়ড অস্টিন জানিয়েছেন, একটি বিমানবাহী রণতরীও ওই অঞ্চলের দিকে যাত্রা করেছে এবং দ্রুতই সেটি গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।

সম্প্রতি তেহরানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়া এবং লেবাননের ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর কমান্ডার শুকরি হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক পরিসরে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

হানিয়া হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে এর কঠোর শাস্তি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান। এমন হুমকির পর থেকেই নেতানিয়াহুর ঘুম হারাম।

ইসরায়েলের সব সীমান্তে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। ইসরায়েল সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে আছে ইরানের রাশিয়া থেকে কেনা এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য। কারণ অত্যাধুনিক এই রুশ সমারাস্ত্রের হামলা ঠেকানোর মতো কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইসরায়েলের এখনন পর্যন্ত নেই।